মাহি কি পারবে সত্যিকারের মাহি হতে?

এই পৃথিবীর এক কোণায় এক দেশে নির্বাসন দেয়া হয়েছে এক ছেলেকে| তার অপরাধ জ্যোতিষীরা  গণনাকরে  দেখেছে এই ছেলের গঠন ধর্মগ্রন্থে লিখিত  মাহির বিবরনের সাথে মিলে যায় |তার অন্যতম নিদর্শন হল তার ঠোঁটের নিচে তিল| তার চোখ সবার নজর কাড়ে| যে দেশের মানুষের কাছে তাকে বন্দী করে রাখা হয়েছে সে দেশের মানুষের মেরুদণ্ড ভাঙ্গা|  মাহিকে নির্বাসন   দেয়া দেশটির  মানুষের চলন-বলন কাজকর্ম সব নিয়ন্ত্রিত হয় ওই  দেশটিকে ঘিরে থাকা আরেকটি দেশের শাসকদের নির্দেশে| সমস্যা হল দেশটিতে যা কিছু ঘটে সবকিছু মাহিকে চিরদিনের জন্য সত্য থেকে মুছে ফেলার জন্য করা হয়| আর   এর   সবই পাশের দেশের নির্দেশে করা হয় | বিনিময়ে পাশের দেশ পৃথিবীর অন্যতম পরাশক্তিতে পরিণত হচ্ছে ক্রমে ক্রমে| কারণ তারা  মাহির আত্মাকে সুকৌশলে পরিবর্তন করার খেলায় সফল হতে চলেছে| এই দেশটি পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে বসতি করে নাই শুধু মাহির  আত্মা পরিবর্তনের খেলার সাব-কনট্রাক্ট নেয়ার পুরস্কার  স্বরূপ তারা   সারা বিশ্ব চষে বেড়াচ্ছে |

এবার আসি মাহির  আত্মার স্বাভাবিকতা নষ্ট হলো কিভাবে ?মাহির যখন জন্ম হয় পৃথিবীর  এক বিখ্যাত দেশে তখন তাকে সুকৌশলে এনে  ঢোকানো হলো  বিজ্ঞানীদের ল্যাবে | কারণ  মাহিকে সরাসরি পরিবর্তন করা যাবে না  তাহলে সাধারণ মানুষের কাছেএটা ইস্যু হয়ে  থাকবে যে তাকে নির্বাসন করে পরিবর্তন করা হয়েছে  | আর তারা জানত  মতওয়ালা জিন্দেগি মাহির হাতে দিয়ে দিয়েছে |আর তাই মাহির মগজে ইমপ্ল্যান্ট করা হলো একটা চিপ  |তার মগজের  নিউরনে  অনুরণন এর মাধ্যমে মাহিকে দিন-রাত 24 ঘন্টা পৃথিবীর অপরাধীরা অনুসরণ করতে লাগলো | তারা তাকে আওতার মধ্যে রেখে আত্মা বিকৃত করার চেষ্টায় আজ অব্দি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেদেখা যাক, এ খেলায় নিউরনে  চিপ দেয়া অপরাধীরা না আল্লাহ জয়ী হয়?

Just a Fun