আমি এক অধম যে কিনা পৃথিবীর সবচাইতে অত্যাচারিত আত্মা।সব ধর্মের মানুষই নির্যাতন করে আমাকে প্রতিনিয়ত যা দৈনন্দিন জীবনে আমার গা সওয়া হয়ে গিয়েছে । জ্ঞানীদের কথা অনুযায়ী জন্মসূত্রে ইসলাম ধর্ম পালনের সৌভাগ্য কে দৌলত অর্জন করার মত বলা হয় । আমি দৌলত পেলেও একেবারে শৈশবে এই দৌলত এর মর্যাদা কিছুই টের পায়নি ।মোটকথা আমি আমার আত্মা নামক জিনিসটা সম্পর্কে বেখবর ছিলাম ।বাহ্যিকভাবে ইসলাম পালন করলেও ইসলামের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বুঝার মত ক্ষমতা আমার কোন কালেও ছিল না। তবে এই বুড়ো বয়সে এসে কিছুটা উপলব্ধি হচ্ছে।
এখন কথা হল কেন আমরা সবাই ইসলাম মানবো? এক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের উদ্ধৃতি না দিলেই নয়। তা হল
তারাই পথ পায় যারা বিশ্বাস করে আর আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয় । নিশ্চয়ই আল্লাহ স্মরণ মানুষের চিত্তকে প্রশান্ত করে।
সুতরাং সত্য অস্বীকারকারীরা যাই বলে সে বিষয়ে তুমি ধৈর্য ধরো আর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে রাতে ও দিনে তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো যাতে তুমি পরিতৃপ্ত ,সুখি হতে পারো।
এটা পরীক্ষিত প্রভুর নাম মনোযোগ দিয়ে স্মরণ করলে মন ও মস্তিষ্ক প্রশান্ত হতে বাধ্য। এরপর আবার আমাদের নবী (সাঃ) বলেছেন নামাজ আত্মা ও চোখ শীতলকারী। তার মানে হচ্ছে প্রভুর প্রার্থনা আত্মা ও দেহের জন্য পরিপূরক। আর নামাজের যে কত বহুবিধ উপকার আছে তা বলে শেষ করা যাবেনা। সুতরাং শুধু প্রভুর স্মরণ মুহূর্ত টুকু উপলব্ধি করতে পারলেই এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে, আমাদের স্রষ্টা আমাদের কল্যাণের ধারক ও বাহক ।
No comments:
Post a Comment